কুমিল্লা বোর্ডের ১৩ কলেজে একাদশ শ্রেণির পাঠদান স্থগিত

কামাল বারি বাংলাদেশ
প্রকাশ: ০৬ March ২০২৬, ০৫:০১ PM | পঠিত: ১৬ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক :
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকায় ১৩টি কলেজের একাদশ শ্রেণির পাঠদান কার্যক্রম স্থগিত করেছে। একই সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক স্বীকৃতিও সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরিন স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বোর্ড সূত্রে জানা যায়, যেসব প্রতিষ্ঠানের পাসের হার শূন্য থেকে ৫ শতাংশের মধ্যে ছিল, সেসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল অত্যন্ত হতাশাজনক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ফলাফল উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পাঠদান স্থগিত হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের জিনদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের তোরাবগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুর সদরের ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের নিদারাবাদ ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার ষাইটশালা আদর্শ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার লালমাইয়ের সুরুজ মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের চানপুর আদর্শ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের রামগতির সেবা গ্রাম ফজলুর রহমান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁদপুরের মতলব উত্তরের জিবগাঁও জেনারেল হক হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের চৌদ্দগ্রাম মডেল কলেজ, কুমিল্লার দাউদকান্দির অজরা এস ই এস ডিপি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের তোহা স্মৃতি গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং চাঁদপুরের মতলব উত্তরের শরিফুল্লা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ।
বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. সামছুল ইসলাম বলেন, বোর্ডের নির্ধারিত শর্ত পূরণে ব্যর্থ এবং দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল ফল করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে সাময়িক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মো. নুরুন্নবী আলম বলেন, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও তারা শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। তাই বোর্ড বাধ্য হয়ে এ ব্যবস্থা নিয়েছে।
তিনি আরও জানান, এই সিদ্ধান্ত অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যও সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। ভবিষ্যতে কোনো প্রতিষ্ঠানের ফল ধারাবাহিকভাবে খারাপ হলে তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।