শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা, ইস্টার সানডে উদযাপনের প্রস্তুতি

কামাল বারি বাংলাদেশ
প্রকাশ: ০১ April ২০২৬, ১২:৪৮ PM | পঠিত: ১৩ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটির পর আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে টানা তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী রবিবার (৫ এপ্রিল) খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে উপলক্ষে এই ছুটি দেওয়া হচ্ছে।
খ্রিস্টান ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই দিনে ঈশ্বরপুত্র যিশু মৃত্যুকে জয় করে পুনরুত্থিত হন এবং মানুষকে পাপ থেকে মুক্ত করেন। এ উৎসবের প্রাক্কালে, বিশেষ করে পুণ্য শুক্রবার বা ‘গুড ফ্রাইডে’, যিশুকে অন্যায়ভাবে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছিল। মৃত্যুর তৃতীয় দিনে, রবিবার, যিশু পুনরুত্থিত হওয়ায় খ্রিস্টান সম্প্রদায় এ দিনটিকে ইস্টার সানডে হিসেবে পালন করে।
এই উপলক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আগামী শুক্র (৩ এপ্রিল) ও শনিবার (৪ এপ্রিল) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায়, টানা তিন দিনের বিশ্রামে অংশ নিতে পারবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে স্কুল ও কলেজ, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই বন্ধ থাকবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, এই তিন দিনের ছুটি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিশ্রাম এবং ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেবে। পাশাপাশি, পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগও মিলবে।
দেশের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের মানুষরাও এই উৎসবকে সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে গ্রহণ করে। শহর ও গ্রামে বিভিন্ন চার্চে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, প্রার্থনা ও পুনরুত্থান উদযাপনের আয়োজন করা হয়। অনেক পরিবারই এই দিনে বিশেষ ভোজন ও সামাজিক মিলনমেলা আয়োজন করে থাকে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটির সময়সূচি নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করেছেন। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা এই ঘোষণায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তাঁরা আশা করছেন, টানা তিন দিনের বিশ্রাম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করবে।
ছুটি ঘোষণা প্রসঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, “ইস্টার সানডে উপলক্ষে এই ছুটি শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক উভয়ের জন্যই মানসিক ও ধর্মীয় গুরুত্বের। আমরা আশা করি, সবাই এই সময়কে সুষ্ঠুভাবে উদযাপন করবে।”
এভাবে, ইস্টার সানডে উৎসব শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দ ও শিক্ষার মাঝে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি বিরতি হিসেবে কাজ করবে। টানা তিন দিনের ছুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এই ধর্মীয় উৎসবকে গুরুত্বসহকারে পালন করার সুযোগ দেবে।
 

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।