অফিসে বাধ্যতামূলক উপস্থিতি ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ১১ নির্দেশনা জারি
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। রোববার মন্ত্রণালয় থেকে দেশের সব দপ্তর-সংস্থা, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজ নিজ অফিস কক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে অবস্থান করতে হবে। এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকেও একই ধরনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। তবে তা যথাযথভাবে প্রতিপালন না হওয়ায় নতুন করে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার কমাতে হবে। জানালা ও দরজা খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সীমিত সংখ্যক লাইট, ফ্যান ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চালানোর পাশাপাশি এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় বাতি, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অফিসের করিডর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। অফিস সময় শেষে সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ নিশ্চিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় সরকারি অনুমতি ছাড়া অতিরিক্ত আলোকসজ্জা পরিহার এবং জ্বালানি ব্যবহারে সর্বোচ্চ সাশ্রয়ী হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অফিস কক্ষ, করিডর, টয়লেট, সিঁড়ি ও সিঁড়ির হাতল নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও তদারকির জন্য সব দপ্তর, সংস্থা ও কার্যালয়ে ভিজিল্যান্স টিম গঠনের নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে সরকারি দপ্তরে শৃঙ্খলা বৃদ্ধি পাবে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অপচয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।
