আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি আর নেই-
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর খবর নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বরাতে দেশটির কিছু গণমাধ্যম দাবি করেছে, তিনি রাজধানী তেহরানে নিজ দপ্তরে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিহত হয়েছেন। এমনকি তাঁর মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার কথাও বলা হয়েছে।
এদিকে, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম BBC-এর ভেরিফিকেশন টিম স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে তেহরানে অবস্থিত তাঁর দপ্তর ‘লিডারশিপ হাউস’ প্রাঙ্গণের কিছু অংশে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে খামেনির মৃত্যুর বিষয়ে তারা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।
ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-ঘনিষ্ঠ তাসনিম নিউজ দাবি করেছে, খামেনির আত্মগোপনে থাকার খবর ছিল ‘শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে মনস্তাত্ত্বিক কৌশল’।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খামেনির নিহত হওয়ার দাবি করে এটিকে ‘ন্যায়বিচার’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত অভিযানে এ ঘটনা ঘটেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও এক বক্তব্যে বলেন, প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তে ইঙ্গিত মিলছে যে ইরানের ‘স্বৈরশাসক’ আর বেঁচে নেই, যদিও তিনি সরাসরি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেননি।
তবে সর্বশেষ প্রাপ্ত খবরে ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণ এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে খামেনির মৃত্যুর খবর নিয়ে অনিশ্চয়তা ও কূটনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
