ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে কমলাপুরে ভিড় বেড়েছে, নির্বিঘ্নে ছাড়ছে ট্রেন
নিজস্ব প্রতিবেদন;
ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদের ভিড় কিছুটা বেড়েছে। ঈদের ছুটি শুরু হতে এখনো কয়েক দিন বাকি থাকলেও ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই আগেভাগেই ঢাকা ছাড়ছেন। ফলে শনিবার সকাল থেকেই স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়েছে।
শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে প্রায় ১০টি ট্রেন বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। এর মধ্যে মহানগর প্রভাতী ট্রেনটি প্রায় ৪০ মিনিট দেরিতে ছাড়লেও বাকি বেশিরভাগ ট্রেন নির্ধারিত সময়েই স্টেশন ত্যাগ করেছে। আজ সারা দিনে কমলাপুর থেকে প্রায় ৪৩ জোড়া আন্তনগর ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচল করবে।
যাত্রীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণে স্টেশনে টিকিট ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। স্টেশনে ঢোকার মুখে এবং প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের আগে দুই দফায় টিকিট যাচাই করা হচ্ছে। ফলে যাত্রীরা তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে ট্রেনে উঠতে পারছেন।
এদিকে যাঁরা আগাম অনলাইনে টিকিট পাননি, তাঁদের অনেকেই স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রা করছেন। প্রতিটি ট্রেন ছাড়ার আগে মোট আসনের প্রায় ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা এক যাত্রী হাসান ইমাম জানান, ভিড় এড়াতে আগেভাগেই রংপুরে বাড়ি ফিরছেন। টিকিট না পেয়ে তিনি দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট নিয়েছেন।
অনেক চাকরিজীবীও পরিবারের সদস্যদের আগেভাগে গ্রামে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এতে ঈদের আগমুহূর্তের ভিড় এড়ানো যাবে বলে মনে করছেন তাঁরা। এক বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, অনলাইনে টিকিট পেতে বেশ বেগ পোহাতে হলেও শেষ পর্যন্ত পরিবারের সদস্যদের গ্রামের উদ্দেশে পাঠাতে পেরেছেন।
রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঈদের মূল চাপ এখনো শুরু হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী সোমবার বিকেল থেকে যাত্রীদের ভিড় আরও বাড়বে।
কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মো. সাজেদুল ইসলাম বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত বেশিরভাগ ট্রেন সময়মতোই চলাচল করছে।
এদিকে ঈদের পর কর্মস্থলে ফেরার জন্যও ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। শনিবার দেওয়া হচ্ছে ২৪ মার্চের টিকিট। রেলওয়ের সূচি অনুযায়ী, ১৫ মার্চ দেওয়া হবে ২৫ মার্চের, ১৬ মার্চ ২৬ মার্চের, ১৭ মার্চ ২৭ মার্চের এবং ১৮ মার্চ বিক্রি হবে ২৮ মার্চের
