প্রধান নির্বাচন কমিশনারের শপথ বিতর্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগ

কামাল বারি বাংলাদেশ
প্রকাশ: ৩১ March ২০২৬, ০৯:২৯ PM | পঠিত: ২৬ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতীয় সংসদে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন। মন্ত্রী বলেন, সিইসি সংবিধানের বাইরে গিয়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার ফরম বিতরণ করেছেন, যা আইনগতভাবে অবৈধ এবং সংবিধান বিরোধী।
মন্ত্রী সংসদে বিভিন্ন অনুচ্ছেদ ও তফসিল উদ্ধৃত করে ‘সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫’ এর আইনি অসারতা ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, সিইসি সংবিধান সংরক্ষণের জন্য ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শপথ গ্রহণ করেছেন। তবে কোন আইন বা সংবিধান অনুযায়ী তিনি ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার ফরম জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে পাঠিয়েছেন, তা স্পষ্ট নয়। এই কাজের মাধ্যমে সিইসি শপথ ভঙ্গ এবং সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, ব্যালট বিতরণ প্রক্রিয়ায় সংসদ সদস্যদের ম্যান্ডেটের বাইরে অতিরিক্ত কোনো পদ বা পরিষদে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা জনগণের ভোটাধিকার ও সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্ধিত ব্যালটে বিতর্কিত প্রশ্ন যুক্ত করার মাধ্যমে জনগণ বিভ্রান্ত হয়েছে। “কুইনাইন ট্যাবলেট কলার ভেতরে ঢুকিয়ে খাওয়ানোর মতো করে তিনটি ভালো প্রশ্নের সঙ্গে একটি বিতর্কিত আদেশ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে,” তিনি বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিলের পর রাষ্ট্রপতির কোনো আদেশ জারির ক্ষমতা নেই। সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের ১৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সেই ক্ষমতা রহিত করা হয়েছে। তাই যে আদেশের ভিত্তিতে শপথ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তা শুরু থেকেই বাতিল (‘ভয়েড অ্যাব ইনিশিও’)। তিনি এটিকে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি প্রতারণার দলিল হিসেবে উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, বিএনপি জুলাই জাতীয় সনদকে স্বীকার করে, তবে সংবিধানসম্মত সংস্কারের প্রয়োজন আছে যা জনগণের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখবে। তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের ৪৭টি বিষয়ে যে ঐকমত্য হয়েছে, তা আগামী সংসদে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হবে এবং জনগণের ম্যান্ডেট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংক্ষেপে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কর্মকাণ্ডকে সংবিধান বিরোধী এবং সরকারি আদেশকে অবৈধ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি মনে করান যে, সঠিক সংবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ ও জনগণের ভোটাধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে সঙ্কট ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জনমতের প্রতিক্রিয়া ও আদালতের হস্তক্ষেপের অপেক্ষা রয়েছে।
আপনি চাইলে আমি এই প্রতিবেদনটিকে আরও সংক্ষেপে ২–৩ প্যারাগ্রাফে সংবাদ শৈলীতে বানাতে পারি, যেন এটাকে সরাসরি সংবাদপত্রের মতো ব্যবহার করা যায়।
আপনি কি সেটা চাইবেন?

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নোটিফিকেশন অ্যালাউ করুন।