তারেক রহমান ঘোষণা করলেন: দেশে শুরু হলো কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আজ থেকে দেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হলো। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন।
অধিবেশনের শুরুতেই সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি জুলাই আন্দোলনে জড়িতদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
এর আগে বেলা ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রবীণ সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এবং ২০২৬ সালের প্রথম অধিবেশন।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি। চব্বিশের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ও ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু অনুপস্থিতিতে সংসদ সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে প্রবীণ সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে সংসদ অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সময় সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা তাকে টেবিল চাপড়ে অভিনন্দন জানান। জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তারেক রহমান এই প্রথম সংসদ সদস্য হিসেবে প্রবেশ করেন।
অধিবেশন শুরুতে সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মাওলা সংসদ কার্যক্রমের সূচনা করেন। এরপর বেলা ১১টা ৫ মিনিটে কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অধিবেশন শুরু হয়। এরপর সূচনা বক্তব্য রাখেন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তারেক রহমান একাত্তর সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত সব আন্দোলন-সংগ্রামের শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, “দেশনেত্রী খালেদা জিয়া জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন। স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে তিনি আপস করেননি।”
তারেক রহমান বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তিনি আরও বলেন, দেশে কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হলো। প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করাই বিএনপির লক্ষ্য। স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ায় কোনও বিরোধ থাকতে পারে না এবং বিরোধ নেই।
স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ায় তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন
